জাতীয়

আনতরজাতিক নির্বাচন দিবস।

আজ আমাদে একটি আনতরজাতিক নির্বাচন দিবস পালন- সময়ের অনিবার্য দাবি হয়ে ওঠেছে।জাতিসংঘকে এ বিষয়ে – অবিলম্বে একটি দিবস ঘোষনার দাবি জানাচ্ছি – বাংলাদেশের একজন সিনিয়র সিটিজেন এবং একজন বিশ্ব- নাগরিক হিসাবে।

বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে – বিশেষত: তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে নির্বাচন এলে- খমতাসীন সরকার ও তাদের দ্বারা নিয়োজিত তথাকথিত সবাধীন নির্বাচন কমিশনগুলো- তৃতীয় বিশ্বের নাগরিকদের সাথে নানা ধরনের সাংবিধানিক প্রতারনা করে নির্বাচনকে প্রহসনে পরিনত করে।যে কারনে তৃতীয় বিশ্বের অনেক দেশেই গনতন্ত্র আজো বিকশিত হয়নি।নির্বাচন সংঘাত,ভোট কারচুপি ও নানা ধরনের নাগরিক প্রতারনার একটি মাধ্যম হয়ে ওঠেছে।নির্বাচন মানে – নির্বাচনে অংশ নেয়া রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অনিবার্য সংঘাত,কালো টাকার দাপট ও নাগরিক নির্যাতনের একটি শাসনতান্ত্রিক অপব্যবসথায় পরিনত হয়েছে।দেশে নির্বাচন আর রাজনৈতিক হত্যাকানড একই সাথে চলছে।অবস্থা দৃষটে মনে হয়- এটি যেন বিশেষত – তৃতীয় বিশ্বের নির্বাচনী বিধিলিপি যে,নির্বাচন এলে – কিছু নাগরিকের জীবনহানি ঘটবে,এবং সংশ্লিষ্ট দেশের সরকার,নির্বাচন কমিশন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে, তাদের নেতৃত্বের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে এইসব অপরাধ, সংঘাত বা প্রানহানিতে তাদের কোন দায় নেই।তাদের কোন অনুতাপবোধও নেই।

এই সব হত্যাকানড,সংঘাত নির্বাচনেরই একটি অনুসংগ!
একজন নাগরিক হিসাবে আমি বিগত ৫৩ বছরের অনুষ্ঠিত এ দেশের সব ধরনের নির্বাচনে এইসব – অমানবিক অনাচার দেখেছি,আর একজন নাগরিক হিসাবে লজজিত হয়েছি,দুঃখিত হয়েছি এবং নাগরিক অসহায়ত্বের যাতনার শিকার হয়েছি।

এরই নাম নির্বাচন, গনতন্ত্র ও সভ্যতা?
রাজনীতি?
সাধারন নাগরিকদের জীবন যেন – তামাশার হাট।এদের রাজনীতিবিদ আর রাজনৈতিক দলগুলো তাদের- দলীয় হীন স্বার্থে কতোটা নির্মম ও নোংরাভাবে ব্যবহার করে!
সব রাজনৈতিক দল আর রাজনীতিবিদরাই – বিশাল সমাজ সেবক! মাঝে মধ্যে ভেবে কুল পাইনা – যে দেশে এতো সমাজ সেবক,সে দেশের দারিদ্র্য কমে না কেন,সে দেশ থেকে মানব পাচার কি করে হয়,কি করে সিন্ডিকেট রাষ্ট্রকে,সরকারকে জিম্মি করে নিত্যপন্যের মূল্য বাড়িয়ে বাজারদর আকাশমুখী করে?
আমাদে হাজার হাজার সমাজ সেবক রাজনীতিবিদরা কেন তখন পারেন না সিন্ডিকেটের দমন করতে?(মনদ লোকেরা বলে – সিন্ডিকেটে তাদেরও শেয়ার ওঅংশীজন থাকে)।
আমাদের দেশসহ তৃতীয় বিশ্বের সব দেশের নির্বাচনী ব্যবসথার সংসকার আজ জরুরি।
বর্তমানের তথাকথিত এই নির্বাচন ব্যবসথাকে নতুন করে সাজাতে হবে।
নির্বাচনে প্রযুকতির ব্যবহার করতে হবে।
নির্বাচনী প্রচারনার দায়িত্ব – প্রত্যেক দেশের নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে – নিরাপদ নির্বাচন নিশ্চিত করতে।প্রয়োজনে- প্রারথীদের কাছ থেকে একটি সার্ভিস চার্জ নির্বাচন কমিশন নিবে।তাহলে নির্বাচনকে ঘিরে প্রাকও নির্বাচন পরবর্তী সংঘাত থেকে সমাজ ও দেশকে বাচানো যাবে।
সাধারণ নাগরিকের প্রানহানি ঘটবে না।প্রারথীরাও নিরাপদ থাকবেন।
২য়ত: প্রচলিত শারীরক উপস্থিত হয়ে ব্যালটবাকসে ভোটদান প্রথা বাতিল করতে হবে।
পরিবর্তে – একটি “ভোটিং এ্যাপস” এর মাধ্যমে – নাগরিকদের তাদের জাতীয় পরিচয় পএ ব্যবহার করে মোবাইল এসএমএসে ভোটদানের পদ্ধতি প্রবরতন করতে হবে। এটা সময়ের দাবি।এটা সমভব এবং সবলপ ব্যয়ের
ভোটদান পদ্ধতি হবে। জনগনের করের টাকার অপচয় হবে না।ভোটারগন নিরাপদে পৃথিবীর যে কোন জায়গা থেকে তার ভোট দিতে পারবেন।সবাই নিরাপদ থাকবে।কোন ভোটারকে কেউ ভোটদানে বাধা দিতে পারবে না।সে সুযোগ থাকবে না।
আমরা জীবন যাপনে,রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রযুকতির বঋবহার করছি।তাহলে – নির্বাচনে প্রযুকতির ব্যবহারে সমস্যা কোথায়?
রাজনীতিিবদ বা রাজনৈতিক দলগুলো বা রাজনৈতিক দলগুলো এ বিষয়ে কোন কথা বলছে কেন?
তারা কি চান না সবচছতার সাথে,নিরাপদে – নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক?
আজকে এ বিষয়ে তাদের অবসথান দেশের মানুষের কাছে সপসট করতে হবে।নির্বাচন আর সংঘাত একসাথে চলতে পারে না। রর সমাপ্তি, চির সমাপতি টানতেই হবে।
জনহনের জীবন – রাজনীতিবিদ আর রাজনৈতিক দলের জন্য তামাশার কাঁচামাল হতে পারে না।।তৃতীয় বিশ্বে – নির্বাচন কালীন সময়ে – মানবতা বিরোধী অপরাধ হচছে। এটা বনধ করতে হবে।
জাতিসংঘের এখানে নৈতিক দায় আছে। প্রতিটি নির্বাচনী সংঘাত ও হত্যাকানডের বিচার জাতিসংঘের মাধ্যমে সুনিশ্চিত করতে হবে।
জাতিসংঘের মাধ্যমে – অনতিবিলম্বে – সদস্য রাষ্ট্র গুলোর জন্য অনুসরনীয়
” আনতরজাতিক নির্বাচন বিধিমালা” প্রনয়ন করতে হবে- যা বিশ্বের সব দেশের রাজনৈতিক দল, নির্বাচন কমিশন ও সরকারগুলোর জন্য হতে হবে বাধ্যতামূলক।
একথায়- নির্বাচন হতে হবে জনগনের কল্যাণ ও গনতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য, কোন অবস্থাতেই তা কোন দেশের সরকার বা রাজনৈতিক দলের জন্য – রাষ্ট্র খমতা দখলের সাংবিধানিক একটি প্রক্রিয়া মাএ যেন না হয়।
আর একটি আনতরজাতিক নির্বাচন দিবস- জাতিসংঘের উদ্যোগে পালন করেই আমরা তার বাসতবায়নের পথ নিশ্চিত করতে পারবো।
মো: হাসানুল আলম।
ঢাকা,বাংলাদেশ
মোবাইল :০১৭৫৪-০৬৫৭০১

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *