জাতীয়

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কপিরাইট লংঘনের অভিযোগ।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন – লেখক,সাংবাদিক ও সমপাদক মো: হাসানুল আলম প্রণীত- নিরাপদ ও সবচছ নির্বাচনের বৈশ্বিক পরিকল্পনা ( কপিরাইট সংরক্ষিত /ডিসেমবর২০১৭) ( বইটি অমর ২১শে বইমেলা-২০২৩ ও কলকাতা আনতরজাতিক বইমেলা-২০২৩) প্রকাশিত।

প্রকাশিত বইটি ২০১৭ সালে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃনদের জন্য দেয়া হয়েছে।
পরিকল্পনাকারি মো: হাসানুল আলম তার প্রনীত – নিরাপদ ও সবচছ নির্বাচনের বৈশ্বিক পরিকল্পনায় দুটি সংসকারের প্রসতাব দিয়েছেন।

১. নিরাপত্তা ও জনস্বার্থে – নির্বাচনী প্রচারাভিযান – অংশগ্রহণকারি রাজনৈতিক দল বা প্রারথীর পরিবর্তে – একটি সার্ভিসচারজের বিনিময়ে – নির্বাচন কমিশন কতৃক প্রচার করার প্রসতাব দেয়া হয়েছে। এতে করে নির্বাচনে অংশ গ্রহনকারি প্রারথী,সমর্থকেরা, ভোটাররা সবাই নিরাপদ থাকবেন।প্রাক বা নির্বাচন পরবর্তী সংঘাত থেকে দেশ ও সমাজ রক্ষা পাবে।
আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো থাকবে।সবলপ ব্যয়ে নির্বাচনী প্রচারনা সমভব হবে।

২. প্রচলিত ভোটিং পদ্ধতি বাতিল করে প্রযুকতি নিরভর ভোটিং চালু করার প্রসতাব আছে তার পরিকল্পনাতে।
অর্থাৎ – একটি ভোটিং এ্যাপস এর মাধ্যমে – ভোট গ্রহন করার পরিকল্পনা – মো: হাসানুল আলম এর পরিকল্পনাতে যুক্ত করা আছে।
অর্থাৎ ভোটারগন ভোটিং এ্যাপসের মাধ্যমে – তাদের জাতীয় পরিচয় পএ ব্যবহার করে – মোবাইল SMS এর মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং বিশ্বের যে কোন দেশ থেকে – বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সময়ের মধ্যে তাদের ভোট প্রদান করবে।

এতে করে প্রত্যেক ভোটার নিরাপদে দেশ থেকে বা প্রবাস থেকে তার ভোট প্রদান করতে পারবেন।

এতে করে – বর্তমানের প্রচলিত নির্বাচন পরিচালনা ব্যয় হবেনা।নির্বাচনী উপকরন – ব্যালটপেপার,সিল,কালি,ভোটকেন্দ্র, নির্বাচন পরিচালনার জন্য জনবল বা নিরপওার জন্য – আইন- শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করার কোন দরকার হবেনা।

অর্থাৎ, প্রযুকতির মাধ্যমে – ই-ভোট/ ডিজিটাল ভোট/ বা/ মোবাইল এসএমএস এ ভোট গ্রহনের পরিকল্পনাকারি মো: হাসানুল আলম
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের কাছে বিগত ১০/১২/২০১৭ সালে তার প্রনীত এই পরিকল্পনা বিক্রির প্রসাবত রেজি ডাকযোগে প্রেরন করেন। কিনতু তৎকালীন নির্বাচন কমিশন – তার এ প্রসতাব পাবার পর কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি।

পরিকল্পনাকারি তার এই প্রসতাব ২০২৩ সালে হাবিব আউয়াল এর নেতৃত্বে পরিচালিত কমিশনের কাছে আবারও রেজি ডাকযোগে বিক্রির প্রসতাব প্রেরন করেছেন।কিনতু সাবেক সেই নির্বাচন কমিশনও কোন সাড়া প্রদান করেন নাই।
সর্বশেষ – বর্তমান ( অননতরবতী সরকার এর সময় গঠিত নতুন নির্বাচন কমিশন) নির্বাচন কমিশনের কাছে আবারও ফেব্রুয়ারী ২০২৫ – নিরাপদ ও সবচছ নির্বাচনের বৈশ্বিক পরিকল্পনা বিক্রির প্রসতাব পাঠানো হয়েছে। তবে অদ্যাবধি- বর্তমান নির্বাচন কমিশন – নিরাপদ নির্বাচন পরিকল্পনাকারিকে কোন জবাব প্রদান করেননি।

কিনতু অতি সমপ্রতি,- বর্তমান নির্বাচন কমিশন – একটি ভোটিং এ্যাপস চালু করার ঘোষনা দিয়েছেন।
নিরাপদ ও সবচছ নির্বাচন পরিকল্পনা কারি মো: হাসানুল আলম নিক এর এই পদক্ষেপ কে – কপিরাইট লংঘনের অভিযোগ এনেছেন।
পরিকল্পনাকারি- নিক কৃতক তার পরিকল্পনার অংশ বিশেষ অর্থাৎ ভোটিং এ্যাপস বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবসথাতে তার অনুমতি ছাড়া তাকে যথার্থ মূল্য প্রদান না করে – নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমের অংশ করায় নিন্দা জানিয়ছেন, এ বিষয়ে – বাংলাদেশ কপিরাইট কতৃপক্ষের দৃষটি আকর্ষণ করছেন এবং নিক এর দায়ী ব্যকতিদের বিরুদ্ধে কপিরাইট আইনানুসারে ব্যবসহা গ্রহনের জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

প্রকাশ থাকে
পরিকল্পনাকারি- তার এই নিরাপদ ও সবচছ নির্বাচনের বৈশ্বিক পরিকল্পনাটি জাতিসংঘের মাধ্যমে জাতিসংঘ নির্ধারিত ন্যায্যদামে বিক্রির প্রসতাব ২০২২ সালের আগষ্ট মাসে বাংলাদেশ থেকে এবং সেপটমবর ২০২২ আমেরিকার নিউইয়রক থেকে জাতিসংঘের মাননীয় সেক্রেটারি জেনারেলের বরাবরও প্রেরন করেছেন।

পরিকল্পনাকারি বিশ্বের সকল দেশের – নির্বাচন কমিশনকে – চ্যালেনজ দিয়ে জানিয়েছেন, – তার প্রনীত এই পরিকল্পনাতেই
সারা বিশ্বে – শূন্যসংঘাতে,শূন্য কারচুপিতে,নুন্যতমব্যয়ে – শতভাগ নিরাপদ নির্বাচন অনুষ্ঠান সমভব হবে – যা বিশ্ববাসীকে – উপহার দিবে – নিরাপদ নির্বাচনের মাধ্যমে – গনতন্ত্র।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কপিরাইট লংঘনের অভিযোগ এনেছেন- নিরাপদ ও সবচছ নির্বাচনের বৈশ্বিক পরিকল্পনাকারি- লেখক ও সমপাদক মো: হাসানুল আলম।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *