বাংলাদেশ

Mazibur Rahman, ঢাকা

9:04 AM, 27 April, 2021 LAST MODIFIED: 9:04 AM, 27 April, 2021

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৭৮, শনাক্ত ৩০৩১ঃ যানবাহনে সয়লাব ঢাকার সড়ক

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৭৮ জন যার মধ্যে ছিল পুরুষ ৪৫ জন ও নারী ৩৩ জন।

সরকারি ও বেসরকারি ৩৫৮টি ল্যাবরেটরিতে ২৪ হাজার ২৩৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৩ লাখ ৯৫ হাজার ৫২৪টি।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য নমুনা পরীক্ষায় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন তিন হাজার ৩১ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল সাত লাখ ৫১ হাজার ৬৫৯ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৫১ শতাংশ। গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৭৮ জনের মধ্যে ত্রিশোর্ধ্ব তিনজন, চল্লিশোর্ধ্ব সাতজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১৫ জন ও ষাটোর্র্ধ্ব ৫৩ জন রয়েছেন।

এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৫০ জন, চট্টগ্রামে ১০ জন, রাজশাহীতে ছয়জন, খুলনায় ছয়জন, বরিশালে একজন, সিলেটে তিনজন ও ময়মনসিংহ বিভাগে দুইজনের মৃত্যু হয়।

এমন পরিস্থিতির মধ্যেও দেদারছে চলছে প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, মিনি ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, রিকশা, ঠেলাগাড়ি; ফুটপাতেও বেড়েছে সাধারণ মানুষের চলাচল।

 

১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের জন্য ‘কঠোর লকডাউন’ জারি করে সরকার। পরে এক দফা বাড়ানোর পর বুধবার রাত ১২টায় শেষ হবে। সোমবার এই বিধিনিষেধ আরো এক সপ্তাহ বাড়ানো কথাও সরকার ঘোষণা করেছে।

লকডাউনের শুরুতে সড়কের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী তল্লাশি চৌকি বসানো হলেও মঙ্গলবার সেসব জায়গায় কোনো তৎপরতা চোখে পড়েনি; পুলিশ সদস্যরা আগের মতো যানবাহন থামিয়ে ‘মুভেমেন্ট পাস’ দেখছেন না।

দোকান-পাট-শপিংমলসহ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে এই লকডাউনে। দ্বিতীয় দিন থেকে তিন ঘণ্টার জন্য খোলা রয়েছে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও পুঁজিবাজারের লেনদেন।

লকডাউনের প্রথম দিন ঢাকা শহর বলতে গেলে একরকম ফাঁকা ছিল। কড়াকড়ি থাকলেও দ্বিতীয় দিন থেকে চিত্র পাল্টাতে থাকে। অল্প সংখ্যায় রিকশা রাস্তায় নামে। ১৪তম দিনে মনে হয় না ঢাকায় লকডাউন চলছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ২৯ মার্চ বেশ কিছু বিধিনিষেধসহ ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করে সরকার। এর মধ্যে ঘরের বাইরে গেলে মাস্কের ব্যবহার অন্যতম। কিন্তু সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকলেও জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে এখনো উদাসীনতা দেখা যাচ্ছে। জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে হলে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মানার বিকল্প নেই।



You have to login to comment this post. If You are registered then Login or Sign Up